বিবেকানন্দের ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটির প্রয়োগ লেখ 

বি.এ. দর্শন –এর একটি গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন হল – মানুষের স্বরূপ প্রসঙ্গে বিবেকানন্দের ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটির প্রয়োগ লেখ এই নিয়ে আলোচনা করা হল।

মানুষের স্বরূপ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বিবেকানন্দ কীভাবে ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটি প্রয়োগ 
মানুষের স্বরূপ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বিবেকানন্দ কীভাবে ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটি প্রয়োগ

 

মানুষের স্বরূপ প্রসঙ্গে বিবেকানন্দের ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটির প্রয়োগ লেখ 

            অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনে ‘তত্ত্বমসি’ অর্থাৎ তুমি বা জীবই হল সেই ব্রহ্ম এইরূপ উপনিষদীয় মহাবাক্য গুলি হল আমাদের আধ্যাত্মিক উপলব্ধির মূল ও শেষ কথা। স্বামী বিবেকানন্দ উপনিষদে এই বাণীর প্রতিফলন ঘটিয়েছেন মানুষের স্বরূপ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে। তিনি  বলেছেন মানব প্রকৃতির দুটি দিক আছে দৈহিক প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিক প্রকৃতি। মানুষের দৈহিক প্রকৃতির অন্তর্গত হল তার দেহ, মন ও অন্যান্য জৈবিক বৃত্তি সমূহ এই দৈহিক প্রকৃতির অন্তরালে রয়েছে আধ্যাত্মিক প্রকৃতি, যে প্রকৃতি চৈতন্যময় সারসত্ত্বা অসীম ও অনন্ত। এই প্রকৃতিই হল ব্রহ্ম। আর প্রকৃত মানুষ এই অনন্ত অসীম ব্রহ্ম ছাড়া আর কিছুই নয়। দৈহিক প্রকৃতির সাথে আধ্যাত্মিক প্রকৃতি একইভূত থাকে বলে দেহকেই আমি বলে মনে করি, কিন্তু এই ‘আমি’ প্রকৃত আমি নয়। ‘আমি’ হলাম সেই অনন্ত অসীম ব্রহ্ম।

            তাই বিবেকানন্দের দার্শনিক চিন্তায় ঈশ্বর বা ব্রহ্ম জীবের মধ্যেই রয়েছে। অর্থাৎ মানব দেহই হল ঈশ্বরের আভাস্থল। 


Thanks For Reading

বিবেকানন্দের ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটির প্রয়োগ লেখ / মানুষের স্বরূপ প্রসঙ্গে বিবেকানন্দের ‘তত্ত্বমসি’ শব্দটির প্রয়োগ লেখ 

More Post:

কর্ম যোগ সম্পর্কে বিবেকানন্দের বক্তব্য লেখ

অদ্বৈত বেদান্ত ও ব্যবহারিক বেদান্তের পার্থক্য


 

Leave a Comment